NID Wallet QR Code স্ক্যান করে ফেইস ভেরিফিকেশন করবেন যেভাবে
জাতীয় পরিচয় পত্রের যে কোন সেবা যেমন নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড, সংশোধন আবেদন বা হারানো বা নস্ট হওয়া ভোটার…

জাতীয় পরিচয় পত্রের যে কোন সেবা যেমন নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড, সংশোধন আবেদন বা হারানো বা নস্ট হওয়া ভোটার…

ভোট দেওয়ার আগে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো, নিজ ভোটার নম্বর, ভোটার সিরিয়াল নম্বর ও ভোট কেন্দ্র কোথায় তা জানা। অনলাইনে শুধুমাত্র এনআইডি নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়েই ১ ক্লিকেই জেনে নিতে পারবেন।

পুরাতন আইডি কার্ড দিয়ে স্মার্ট কার্ড নাম্বার দেখার জন্য এনআইডি একাউন্টে লগইন করতে হবে। এছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্রের ভেরিফিকেশন কপি সংগ্রহ করেও স্মার্ট কার্ড নাম্বার বের করা যাবে।

কত বছর বয়সে এনআইডি কার্ড করা যায়? ১৬ বছর বয়স হলেই আপনি অনলাইনে আবেদন করে আইডি কার্ড পেতে পারেন। কিভাবে করবেন? জানুন বিস্তারিত।

স্মার্ট কার্ড থেকে পুরাতন আইডি নাম্বার বের করার জন্য ২টি উপায় রয়েছে। একটি হচ্ছে স্মার্ট কার্ডের বার কোড স্ক্যান করে এবং অন্যটি হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি ওয়েবসাইটে লগইন করে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সাধারণত জন্ম নিবন্ধন, এসএসসি সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট, বিদ্যুৎ বিল, পিতা-মাতা ও ভাইভোনের আইডি প্রয়োজন হয়। কি প্রমাণপত্র লাগবে তা নির্ভর করে আপনি কি তথ্য সংশোধন করতে চান। জানুন বিস্তারিত।

১৬ বছর বয়স হলেই আপনি অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র করার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। এরপর বায়োমেট্রিক তথ্য দেয়ার পর আবেদন অনুমোদন হলে এনআইডি কার্ড পাবেন।

ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিল করার জন্য আপনাকে কারণ উল্লেখ করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত আবেদন করতে হবে। জানুন, কখন আইডি বাতিল করা যায়, কিভাবে এনআইডি বাতিলের জন্য আবেদন করবেন বিস্তারিত প্রক্রিয়া।

মোবাইল থেকে SMS সেন্ড করে অথবা অনলাইনে এনআইডি নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়েই স্মার্ট কার্ড চেক করতে পারবেন। স্মার্ট কার্ড রেডি হয়েছে কিনা কিভাবে চেক করবেন বিস্তারিত দেখুন।

যারা আগে ভোটার হওয়ার সুযোগ পেয়েও ভোটার হতে পারেন নি, বা যাদের বয়স বেশি তাদের নতুন ভোটার হওয়ার জন্য অঙ্গীকার নামা জমা দিতে হবে। কিভাবে এই অঙ্গীকার নামা লিখবেন তার একটি ফরম্যাট দেয়া হলো।